গাউছিয়া রিপোর্ট: ঝালকাঠিতে হুমকী দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোসাঃ কামরুন নেহার নামের এক শিক্ষক থানায় সাধারণ ডাইয়েরী করেছেন। মোসাঃ কামরুন নেহার ঝালকাঠি শহরের পালবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ও কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের রুনশী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। বুধবার ঝালকাঠি থানায় এ জিডি দায়ের করা হয় যার নম্বর ১৩৪৭। সাধারণ ডাইয়েরীতে তিনি দাবি করেন ঝালকাঠি শহরের পালবাড়ি এলাকার গৌতম পাটিকর (৪৫) ও শিপ্রা রানী দাস (৪০) মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবন কারী। এদের কাছে প্রায় সময় অনেক’ অপরিচিত লোকজন আসেন। এদের বাসার পাসে শিক্ষক কামরুন নেহার বাসা। প্রায় সময় এই বাসার সামনে হট্টগোল ও ঝামেলা করে। এদের বাধা নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়। শিক্ষক কামরুন নেহার নিরাপত্তার জন্য তার বাসায় সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছেন। তাতে এরা ওই শিক্ষিকাকে সন্দহ করে যে, পুলিশ কে তাহাদের বিষয় জানানোর জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টা ১৮ মিনিটের দিকে গৌতম পাটিকর তাহার মোবাইল নং ০১৭২০৬২১৫৯৫ দিয়ে শিক্ষক কামরুন নেহার ব্যবহৃত ০১৭৮১২৭২৮৩২ নম্বরে কল দিয়া অকথ্য অশালীন ভাষায় গালি গালাজ করে। শিক্ষক কামরুন নেহার হুমরী দিয়া বলে যে, তাকে ও তার ছেলেকে দিখিয়ে দিবে। এরা আরো বলে যে, ‘তোকে দেখিয়ে দিব তোর জন্য আমি শান্তিতে থাকতে পারবি না। তোকে ঘর ছাড়া করব’। অভিযুক্তরা শিক্ষককে বলেন,‘ পুলিশকে মাদকের বিষয় সংবাদ দেন। তিনি কি ভাবে বাড়িতে থাকেন তা দেখে নিবে। জিডিতে আরো উল্লেখ করা হয়,‘ রেডি হয়ে থাকেন, আপনার সময় হয়ে গেছে। আমি বরিশাল থাকলে কি হবে আমার লোকজন ঝালকাঠি আছে বলেও হুমকী ধামকী প্রদান করেন। এ ধরনের হুমকীতে শিক্ষক মোসাঃ কামরুন নেহার ও তার পরিবারের সদস্যারা আতঙ্কের মধ্য দিন কাটাচ্ছে। তবে এব্যাপারে গৌতম পাটিকরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠিতে হুমকী দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শিক্ষকের জিডি


